















বইটি খুবই টেকনিক্যাল ধরণের হওয়ায় ভাষা একটু খটমটে; সুখপাঠ্য বলা কঠিন। তবে পাঠক একবার আলোচনার ছাঁচের মধ্যে প্রবেশ করলে, কুরআন বুঝতে পারার এমন একটি সম্ভাবনাময় পথের সন্ধান পাবেন, যার জন্য হৃদয়ে একরকম ভালোলাগা কাজ করবে। এক ধরণের ‘এডভেঞ্চার’-এর আমেজ অনুভব করতে পারবেন বলে মনে করি। ফলে, কুরআন সম্পর্কে নিজের ভেতরকার অনেক ধারণাই তখন পুরাতন হয়ে যাবে। তৈরি হবে কুরআনের কাছাকাছি যাবার নতুন উপলক্ষ্য, নতুন প্রত্যাশা, নতুন আমেজ। সবমিলিয়ে, কুরআনের প্রতি ভালোবাসা তৈরি ও নবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাভাষী পাঠকের জন্য এক অনন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে নোমান আলী খান এবং তাঁর ছাত্র শরীফ রানধাওয়া কর্তৃক রচিত ‘ডিভাইন স্পিচ’ এর অনূদিত গ্রন্থটি।
কুরআনে আল্লাহ তায়ালা পাহাড়ের কথা উল্লেখ করেছেন,যার ওপর কুরআনকে নাজিল করা হলে সেটা খশে পড়তো। কুরআনের এই ভারত্ব,কুরআনের এই মহিমা আমাদের সামনে হাজির করা হয়েছে পৃথিবীর এই ধুলোমাটির জীবনে মহান মালিকের সাথে উপযুক্ত সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে দুই জীবনে কল্যাণের সুঘ্রাণ ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে। কারণ,কুরআনকে আল্লাহ তায়ালা ‘হাবলুল্লাহ’ তথা তাঁর নিজের রশি হিসেবে আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন। আর এই রশিই হলো তাঁর সাথে আমাদের দাসত্বের জীবনের সম্পর্ক তৈরির একমাত্র মাধ্যম। আমরা এই মাধ্যমকে অবলম্বন করে তাঁর দাসত্বের মহিমায় গর্বিত হতে পারি। ‘হাবলুল্লাহ’ কে আমাদের সামনে বোধগম্য উপায়ে উপস্থাপন করার জন্য ক্ষুদ্র একটি প্রয়াস হলো ‘কুরআনিক গাইড’।
“আপনি বই হাতে পেয়ে প্রিমিয়াম কোয়ালিটি যাচাই করে তারপর হাদিয়া পরিশোধ করবেন ইনশাআল্লাহ”